মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

ভুল চিকিৎসায় তরুণীর চেহারা বিকৃত জীবন সংকটাপন্ন

Reading Time: 2 minutes

কামরুল হাসান,ময়মনসিংহ :
ভুল চিকিৎসায় ২১ বছরের এক তরুণীর চেহারা বিকৃত হয়ে গিয়েছে এবং তরুণীর জীবন এখন সংকটাপন্ন। এ ঘটনাটি ঘটে ময়মনসিংহ জেলায় ফুলবাড়িয়া উপজেলার দেওখলা বাজারের কাদের ফরাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। কাদের ফরাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্ট পরিচালক ডা. মো. এস, এম, মিজানুর রহমান (পলাশ) এর অজ্ঞতা ও অনৈতিকতার কারণে তরুনীর সমস্ত শরীর বিভৎস আকার ধারণ করিয়াছে, যে কেউ তাকে দেখলে ভয় পাবে। তার শরীরের অবস্থাও আশংকাজনক। ভুক্তভোগী তরুণীটির নাম মোছা. সুরাইয়া ফাতেমা। তরুণীটি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার আটারদান গ্রামের মো. সেলিম রানার মেয়ে। তার মায়ের নাম মোছা. জেসমিন আক্তার। ভুক্তভোগীর মা জেসমিন আক্তার বলেন, আনুমানিক ৪ মাস পূর্বে আমার মেয়ের শরীরে এলার্জি ও চর্মরোগ দেখা দেয়। তখন আমি আমার মেয়েকে নিয়ে কাদের ফরাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাই এবং ডা. মো. এস. এম. মিজানুর রহমান কে দেখাই। তিনি আমার মেয়ের অসুস্থতা দেখে বলেন, আমার পরামর্শ অনুযায়ী ঔষুধ খাইলে মেয়ের রোগ ভাল হবে। তখন আমি সরল বিশ্বাসে তার প্রতি বিশ্বাস রেখে ৪ মাস ঔষুধ খাওয়াই। আমার নিকট থেকে ৪ মাসে ভিজিট ও ঔষুধ বাবদ ১২০,০০০/= (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা মাত্র) টাকা নেয় ডাক্তার। কিন্তু এই ৪ মাসে আমার মেয়ে সুস্থ হয়নি বরং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আমার মেয়ের সুন্দর চেহারা বিশ্রী হয়ে গিয়েছে । আমি আমার মেয়েকে চিনতে পারিছি না। তিনি আরও জানান, গত ১০ জুন ২০২৩ মেয়ের শরীরের অবস্থা বেগতিক খারাপ দেখে আমরা পরিবারের লোকজনসহ ক্লিনিকে গিয়ে মেয়ের শরীরের অবস্থা এত খারাপ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষেপে যান। আমরা মেয়ের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম, যে মেয়ের অবস্থা খুবই খারাপ কিন্তু তিনি আরোও ক্ষিপ্ত হয়ে যান। তখন আমাদের সাথে বাকবিতন্ড হয় এবং তিনি আমাদের হুমকি দেন এবং একপর্যায়ে বলেন আমি আপনার মেয়ের চিকিৎসা করি নাই, আপনারা যা পারেন গিয়ে করেন। আমরা তার ব্যবস্থাপত্র দেখাইতে চাইলেও তিনি তা দেখতে চাননি এবং বলেন এগুলো আমার ব্যবস্থাপত্র না। আমি আপনার মেয়ের চিকিৎসা করিনি। ভুক্তভোগীর মা জানান, অবশেষে অনোন্যপায় হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় কাদের ফরাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডা. মো. এস. এম. মিজানুর রহমান (পলাশ) এর নামে একটি অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনার সাথে জড়িত ডা. মো. এস, এম, মিজানুর রহমান (পলাশ) এর সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান খান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন ঘটনার তদন্ত চলমান তদন্ত হওয়ার পরে বিস্তারিত বলা যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com